আমাদের সম্পর্কে

ব্যবসার উদ্দেশ্য

আল্লাহ্‌ তা’আলা ব্যবসাকে (মুনাফাকে) করেছেন হালাল আর সুদকে করেছেন হারাম। তাই, ব্যবসার মধ্যে আছে অফুরন্ত বরকত। ব্যবসা এতটাই বরকতপূর্ণ যে, সারা দুনিয়ার সমস্ত রিযিকের ৯০% (১০ ভাগের ৯ ভাগ) আছে হালাল ব্যবসার মধ্যে। তাই, আমরা কয় ভাই মিলে ব্যবসা শুরু করার উদ্যোগ নিলাম। এখন প্রশ্ন হল কিসের ব্যবসা করব। তখন দুইটা হাদীস আমাদের পথ দেখাল-

১. আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রাঃ) বলেন, কোন ব্যক্তি যখন ত্যাগ স্বীকার করে ছওয়াবের আশায় মুসলিম জনপদে কোন প্রয়োজনীয় দ্রব্য আমদানী করে এবং ন্যায্য মূল্যে তা বিক্রয় করে, আল্লাহর নিকট তিনি শহীদের মর্যাদা লাভ করেন [কুরতুবী, আল-জামি লিআহকামিল কুরআন (কায়রো: দারুশ শাব, ১৯৭২) ১৯/৫৬ পৃঃ]।

২. আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি হাদিসের মাহফূম- “যে আমার সুন্নাহকে যিন্দা করে, সে আমাকে ভালবাসে; আর যে আমাকে ভালবাসে সে আমার সাথে জান্নাতে থাকবে।” (জামে তিরমিযী, হাদীস : ২৬৭৮)

আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম, ন্যায্য মূল্যে ও কম লাভে আমরা সেসব পণ্যই বিক্রি করব যা রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত। ইনশাআল্লাহ, আমাদের ব্যবসা তখন আমাদের দুনিয়া এবং আখিরাত দুটোরই ব্যবস্থা করবে।

ব্যবসার মূলনীতি

তিন শ্রেণীর লোকের সাথে আল্লাহ্‌ কিয়ামতের দিন কথা বলবেন না ও তাদের প্রতি দৃষ্টি দিবেন না এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।

আবূ যার বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! কারা নিরাশ ও ক্ষতিগ্রস্ত?
তিনি বললেন,

  • ১. টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী,

  • ২. উপকার করে খোটা প্রদানকারী এবং

  • ৩. ঐ ব্যবসায়ী যে মিথ্যা শপথ করে তার পণ্য বিক্রি করে’                                                                                                                                                                                                                                                                        (মুসলিম, হা/১০৫; মিশকাত হা/২৭৯৫)।

তাই আমাদের চেষ্টা থাকে সততা ও আমানতদারীর সাথে ব্যবসা পরিচালনা করা।

শেষ কথা

আমরা চাই সমস্ত সুন্নাহকেই আপনাদের সেবায় পৌঁছে দিতে, কারণ ভালবাসায় সিক্ত সুন্নাহর শেষ ঠিকানা আল্লাহ্‌র প্রতিশ্রুত রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সাথে জান্নাত।

 

X