fbq('track', 'AddToCart');

দ্য প্যান্থার

দ্য প্যান্থার

৳ 300.00 ৳ 170.00

বইঃ দ্য প্যান্থার
লেখকঃ মাওলানা ইমরান আহ‌মাদ
প্রকাশনী: কালান্তর প্রকাশনী
পৃষ্ঠা: ১৮২

Qty:
Compare
Categories: , , , , Tags: , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , , ,

Description

ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম বড় দুর্যোগকাল হিসেবে ধরা হয় দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতাব্দীকে। এই পুরোটা সময়ব্যাপী মুসলিম উম্মাহ তার শত্রুদের চতুর্মুখী আক্রমণ হজম করে যাচ্ছিল। প্রথমে ক্রুসেড তারপর নেমে এলো তাতারি গজব। গোদের উপর বিষফোঁড়ার মত ছিল খুনে হাসাসিন বাহিনী ও নিজেদের মধ্যে থাকা অযোগ্য নামধারী মুসলিম শাসকরা। চতুর্মুখী এসব আঘাতে মুসলিম উম্মাহ হয়ে গেল লণ্ডভণ্ড। শত শত বছর ধরে গড়ে ওঠা মুসলিম শহর,জ্ঞানবিজ্ঞান ধ্বংস হয়ে গেল। উম্মাহর অজস্র নিরীহ মানুষ দুঃখজনক পরিণতি বরণ করলো। উম্মাহর দুর্দিন যেমন মুসলিমদের নিজেদের ধ্বংস দেখিয়ে শিক্ষা দিয়েছিল তেমনি পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এমন কিছু বীরের সাথে যারা মুসলিম উম্মাহর জন্য চিরকাল গর্বের কারণ। যাদের বীরত্ব, সাহস ও আত্মত্যাগ কল্পনাকেও হার মানিয়েছিল। সুলতান রুকনুদ্দীন বাইবার্স ছিলেন তেমনই একজন।
সুলতান বাইবার্স ছিলেন একজন ককেশীয় বংশোদ্ভূত মামলুক। কিপচাক-কুমান তুর্কি জাতিসত্তার বাইবার্স খুবই অল্প বয়সে দাস হিসেবে বিক্রি হন আইয়্যুবীদের কাছে। বীরত্ব ও অস্ত্র চালনায় দক্ষতা তাকে ধীরে ধীরে পরিণত করে অসামান্য এক যোদ্ধায়। আইয়্যুবী সুলতানের মামলুক রেজিমেন্টের প্রধান হয়ে যান রাতারাতি অল্পবয়সেই।।
খুবই অল্পবয়সেই তিনি তার সামরিক প্রতিভার প্রমাণ দেখান দ্বিতীয়বার বাইতুল মাকদিস জয়ে বীরত্ব ও রণকুশলের পরিচয় দিয়ে। ইউরোপ থেকে ঘোষিত সপ্তম ক্রুসেডের লক্ষ্য যখন হয় মিসর তখন মামলুক হিসেবে সেনাবাহিনীতে থাকা বাইবার্স নিজের যোগ্যতায় শক্তিশালী ফরসী বাহিনীকে পরাস্ত করে রাজা নবম লুইকে বন্দী করে প্রথমবারের মতো কোনো ইউরোপীয় সম্রাটকে বন্দী করার নজির স্থাপন করেন।
.
বাইবার্সকে বিশ্ব যেকারণে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করে তা হচ্ছে আইন জালুতের ময়দানে তার মোঙ্গল বধ। মুসলিম বিশ্বের কাছে একসময় এরা ইয়াজুজ-মাজুজ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল। ‘মোঙ্গলরা পরাজিত হয় না’ এই কথাটিকে মানুষের মন থেকে মুছে দেন বাইবার্স। আইন জালুত যুদ্ধের পর একাই মোঙ্গলদের তাড়া করে ফোরাত নদী পর্যন্ত তাড়িয়ে নিয়ে যান।
আইন জালুত যুদ্ধজয় ও সুলতান কুতুযের মৃত্যুর পর বাইবার্স মিসরের নবগঠিত মামলুক সম্রাজ্যের সুলতান হিসেবে সিংহাসনে আরোহন করেন। বস্তুত তিনিই মামলুক সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। বাইবার্সের অন্যতম বড় একটি অর্জন ছিল পুনরায় আব্বাসীয় খিলাফাতকে মিসরে প্রতিষ্ঠিত করে খলিফাহীন মুসলিম বিশ্বকে আবারো ঐক্যবদ্ধ করার প্রচেষ্টা।
সুলতান হবার পর সামান্যই তিনি শান্তিতে ছিলেন। তাকে প্রায়ই ছুটতে হতো শত্রুর বিরুদ্ধে।ক্রুসেডারদের হাত থেকে লেভান্তের প্রায় সবটুকুই মুসলিম উম্মাহর জন্য ফিরিয়ে আনেন বাইবার্স। একাই চারটি ক্রুসেডের বিরুদ্ধে লড়াই করেন।হাসাসিন নামে পরিচিত শিয়া ফেদাইম গুপ্তঘাতকগোষ্ঠীকে ধ্বংস করে দেন। একাই মোঙ্গল,ক্রুসেডার,হাসাসিনদের সাথে লড়াই করেছেন। কিন্তু এতকিছুর পরও বাইবার্স ছিলেন অপরাজিত।একটি যুদ্ধেও তিনি পরাজিত হননি।
মহান এই বীর ১২৭৭ খ্রিস্টাব্দে দামেস্কে ইন্তেকাল করেন। বিষপ্রয়োগ করে তাকে হত্যা করা হয়েছিল।
.
পুরো বইটি জুড়ে রুকনুদ্দিন বাইবার্সের বীরত্বপূর্ণ জীবনীর আলোকে ইতিহাস আলোচনা করা হয়েছে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “দ্য প্যান্থার”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

X